মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
একই সিনেমায় গেয়েছিলেন বাংলাদেশের মাহফুজ আনাম জেমস ও কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ বা কেকে। ২০০৬ সালে বলিউডে মুক্তি পায় গ্যাংস্টার চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রে ভিগি ভিগি, ইয়া আলি, তুহি মেরে সাব হ্যায়, লামহা লামহা, মুঝে মাত রোকো’র মতো গানগুলো মুক্তি পায়। এই সিনেমার সবগুলো গান জনপ্রিয়তা পায়।
কেকের গাওয়া তুহি মেরে সাব হ্যায়
এই গানগুলো এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে উপমহাদেশের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল এসব গানের কথা ও সুর। দুজনের গানের সুর প্রীতমের করা ছিল। একই সিনেমায় জেমসের সঙ্গে রাজত্ব করা কেকে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন।
সংগীত দুনিয়ায় কেকে নামে পরিচিতি পেয়েছিলেন কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ। বাংলা, হিন্দি, তামিল, কন্নড়, মারাঠিসহ একাধিক ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩১ মে) রাতে কলকাতায় তার আকস্মিক মৃত্যুতে স্তম্বিত ভারতীয় সংগীত মহল।
এদিকে কেকের মৃত্যুর শোক ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশেও। স্বাভাবিকভাবেই গ্যাংস্টার সিনেমার প্রসঙ্গও চলে আসছে। ভক্তরা প্রসঙ্গ টানছেন। প্রসঙ্গ এলেও বলিউড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন জেমস। অবশ্য কিছুদিন আগে বলেছিলেন, কেন তিনি বলিউড থেকে সরে এসেছিলেন। মুম্বাইয়ে থাকতে হবে, আর দেশ ছেড়ে থাকতে পারবেন না বলেই বলিউডে ধারাবাহিকতা রাখতে পারেননি তিনি।
জেমসের গাওয়া ভিগি ভিগি
এদিকে কেকের মৃত্যুতে অবশ্য জেমসের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ বা কেকে মঙ্গলবার (৩১ মে) কলকাতায় গুরুদাস কলেজের এক অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন। সেখানে গান গাওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি হোটেলে চলে যান। পরে সেখান থেকে কলকাতা সিএমআরআই হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই এ শিল্পীর মৃত্যু হয়েছে।
কেকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে উপমহাদেশের সংগীত ও চলচ্চিত্র জগতে। গত তিন দশকে ভারতীয় সংগীতপ্রেমীদের বহু হিট গান উপহার দিয়েছেন কেকে। তার ছেলেবেলা কাটে নয়াদিল্লিতে। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করেন। পরে পা রাখেন বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায়।